মূল লেখা দেখুন
জ্ঞান ও নির্দেশিকা

বাংলাদেশের অফিসে কাস্টম সফটওয়্যার: আগে একটি সমস্যাযুক্ত spreadsheet ঠিক করুন

২৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের অফিসে কাস্টম সফটওয়্যার: আগে একটি সমস্যাযুক্ত spreadsheet ঠিক করুন

একই কাজের স্ট্যাটাস কয়েকজন বদলাচ্ছেন, আলাদা ফাইলে কপি করছেন এবং সর্বশেষ ভার্সন জানতে মেসেজ দিচ্ছেন—এটি কাজের প্রক্রিয়ার সমস্যা। তার মানেই পুরো ERP দরকার নয়। শুরু ও শেষ স্পষ্ট এমন একটি নিয়মিত কাজ বেছে নিন: খরচের অনুমোদন, ডেলিভারি চেকলিস্ট, কনটেন্ট অনুমোদন বা সার্ভিসের কাজ। সফটওয়্যারের কাজ হবে বারবার তথ্য মিলানোর চাপ কমানো এবং ভুল হলে নিয়ম মেনে ঠিক করার সুযোগ রাখা।

একটি পরিচিত পরিস্থিতি—কাল্পনিক উদাহরণ

ধরুন, অফিসে একটি খরচের অনুমোদন তিনজনের ব্যক্তিগত message ঘুরে আসে। আবেদনকারী বারবার জানতে চান কাজটি কার কাছে। এখানে বড় dashboard-এর চেয়ে shared status ও ফেরত দেওয়ার কারণ দেখা বেশি উপকারী হতে পারে।

কীভাবে কাজটি সাজাবেন

শুধু সফটওয়্যার কেনার সিদ্ধান্তদাতার সঙ্গে নয়, যাঁরা কাজ করেন তাঁদের নিয়ে প্রক্রিয়া লিখুন। কী তথ্য লাগে, কোথায় সিদ্ধান্ত হয় এবং ব্যতিক্রম কী কী তা দেখুন। সংশোধনের জন্য আবেদন ফেরত দেওয়া গেলে সেই ধাপ রাখুন। অনুমোদনকারী না থাকলে বিকল্প দায়িত্ব নির্ধারণ করুন। সাধারণ ব্যতিক্রম সামলাতে না পারলে সুন্দর dashboard থাকা সত্ত্বেও কাজ আবার ব্যক্তিগত মেসেজে চলে যাবে।

কোথায় ভুল হতে পারে

প্রথম ভার্সনে দরকারি তথ্য রাখুন: আবেদন নম্বর, আবেদনকারী, ধরন, ব্যাখ্যা, বর্তমান দায়িত্বশীল ব্যক্তি, স্ট্যাটাস ও সময়। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের পরিবর্তনের ইতিহাস রাখুন। প্রয়োজন ছাড়া সংবেদনশীল দলিল আপলোড করবেন না। অ্যাপ থেকে ডাউনলোড করা ফাইলও নিরাপদে ব্যবহারের নিয়মের মধ্যে থাকতে হবে।

কখন ছোট সমাধানই যথেষ্ট

একটি টিমে পরীক্ষামূলক ব্যবহার করুন এবং আগের ও পরের সাধারণ কর্মসপ্তাহ তুলনা করুন। কত কাজ শেষ হয়েছে, কতবার একই তথ্য লিখতে হয়েছে এবং কোন ব্যতিক্রম আটকে আছে তা দেখুন। সফটওয়্যার ডেলিভারি হলেই সফলতা নয়; কর্মীরা কাজ শেষ করতে পারছেন এবং সরবরাহকারী বদলালেও তথ্য উদ্ধার করা যাচ্ছে কি না তা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রস্তাবিত কাজের ধাপ

  1. নির্দিষ্ট ফর্মে আবেদন
  2. প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই
  3. কারণসহ অনুমোদন বা ফেরত
  4. কাজ সম্পন্ন করা
  5. রিপোর্ট ও ইতিহাস দেখা

হস্তান্তরের আগে যে পরীক্ষা করবেন

আপনার ব্যবসার নমুনা তথ্য দিয়ে স্বাভাবিক কাজ, ভুল তথ্য, একই request আবার আসা এবং অনুমতি নেই এমন account দিয়ে পরীক্ষা করুন। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য export করা যায় কি না দেখুন। কে account ও hosting-এর মালিক, কে backup নেবেন এবং সমস্যা হলে কার কাছে যাবেন তা লিখুন। প্রকৃত গ্রাহকের তথ্য নেওয়ার আগে test data ব্যবহার করুন।

কোন ফলাফল দেখবেন

কাজ শেষের সময়; একই তথ্য পুনরায় লেখা; আটকে থাকা ব্যতিক্রম; কর্মীদের ব্যবহার. চালুর আগের অবস্থা লিখে রাখুন। pilot শেষে পরিবর্তন দেখুন; কাজের পদ্ধতি বদল না হলে শুধু সফটওয়্যার দিয়ে ফল নিশ্চিত নয়।

খরচ ও প্রস্তাবে কী থাকবে

ফিচার, ব্যবহারকারীর সংখ্যা, import, integration, training ও support আলাদা করে লিখুন। BDT-তে কোটেশন চাইতে পারেন; hosting, API ও third-party subscription অন্তর্ভুক্ত কি না পরিষ্কার করুন। development service আর তৈরি SaaS subscription এক নয়। সময়সীমা discovery ও test-এর পর সম্মত হবে; অজানা integration-এর জন্য স্থির প্রতিশ্রুতি নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ।

সাধারণ প্রশ্ন

আগেই কি পুরো সিস্টেম বানাতে হবে?

না। একটি কাজের সম্পূর্ণ, পরীক্ষাযোগ্য সংস্করণ আগে করুন। ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়ার পর পরবর্তী মডিউল যুক্ত করুন।

তথ্য পরে অন্য সিস্টেমে নিতে পারব?

export format, file access ও account ownership প্রস্তাবে উল্লেখ করুন এবং handover-এর সময় export খুলে পরীক্ষা করুন।

আরও পড়ুন ও পরবর্তী পদক্ষেপ

আপনার প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন: OpsBoard · Internal tools · সব সফটওয়্যার · প্রজেক্ট নিয়ে কথা বলুন.

আইডিয়া যা ব্র্যান্ডকে এগিয়ে নেয় — বাংলাদেশে তৈরি।